বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১০, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
আপডেট সময় :
২০২৬-০৫-০২ ২৩:২৬:১৮
বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ১০, দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
আব্দুল্লাহ আল নোমান ময়মনসিংহ (ঈশ্বরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে বোরোধানের জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় ১০ আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের রামগবিন্দপুর গ্রামে।
এ নিয়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে দু'পক্ষ ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ভোক্তভোগী পরিবারের আবুল খায়ের(৫৯) বাদি হয়ে এজহারভুক্ত ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে আহতরা হলেন, রামগোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুস সালাম(৫০), আবু হানিফা(৪৫), মোখলেছুর রহমান(২৪), হেলাল মিয়া(৫০), মোস্তফা(৪৫), জয়নাল আবেদীন(৬৫), হুসনা আরা খাতুন(৪০), জোসনা আরা(৪০), জনি মিয়া(১৭)। এছাড়াও প্রতিপক্ষের শাহেদ আলী(৫০) নামে একজন আহত হয়েছেন। এছাড়াও আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আব্দুস সালাম ও মোখলেছুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এজাহারে উল্লিখিত আসামিরা হলেন, রামগোবিন্দপুর গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে খায়রুল ইসলাম রতন(৪৫), মেহেদি হাসান মঞ্জু(৩৬), মাসুদ মিয়া(৪২) শহিদ মিয়া(৩৮) এবং মাসুদ মিয়ার ছেলে মঈনুল ইসলাম লায়ন(২৩)। এছাড়াও একই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক(৪৫), তার ছেলে মিলন মিয়া (২৩)এবং মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে দুলাল মিয়া(৪৮) ও তার ছেলে একলাছ উদ্দিন বাপ্পু(২৫)।
ভোক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে বোরোধানের জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত রতন ও মঞ্জু গংরা প্রতিপক্ষের ওপর দেশীয়অস্ত্রে হামলা চালায়। এতে ভোক্তভোগী পরিবারের ৯ জন আহত হন। এসময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসা তাদের ময়মনসিংহ হাসপাতালে রেফার করেন।
এ প্রসঙ্গে ভোক্তভোগী পরিবারের আবুল খায়ের বলেন, রতন ও মঞ্জু গংরা সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। এলাকার মানুষের ওপর জোরপূর্বক হামলা, মামলা, ভূমি দখল করাই তাদের কাজ। এরই ধারাবাহিতায় ঘটনার দিন শুক্রবার সকালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের লোকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের ৯ জন নারী-পুরুষ আহত হন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানার জন্য মেহেদি হাসান মঞ্জু ও তার পরিবারের একাধিক মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আজম বলেন, এ নিয়ে দু'পক্ষেই লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com
কমেন্ট বক্স